কুড়িগ্রাম সোনালী ব্যাংকে সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে বরখাস্তকৃত কর্মকর্তা শরীফ হাসান মুরাদের বিরুদ্ধে। নৈশপ্রহরী ফিরোজের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা সম্পর্কে জানতে সাংবাদিকেরা ব্যাংকে গিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে মেজাজ দেখিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান এবং বিষয়টি নিয়ে ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজারের (ডিজিএম) সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।
পরে এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম সোনালী ব্যাংকের ডিজিএম আতাহারুল ইসলামের কাছে জানতে চান সাংবাদিকেরা। তিনি বলেন, ‘আমি কুড়িগ্রামে নতুন এসেছি। তাই বিষয়টি আমার জানা নেই। শরীফ হাসান মুরাদ এখানে ছয় মাসেরও কম সময় ধরে কর্মরত আছেন। তবে এটি তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়। এ-সংক্রান্ত বিষয় বাংলাদেশ ব্যাংক ও তদন্ত কমিটি খতিয়ে দেখবে।’
এদিকে, নৈশপ্রহরী ফিরোজের কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে কিশোরগঞ্জ সোনালী ব্যাংকের বর্তমান শাখা ব্যবস্থাপক পংকজ কান্তি রায় জানান, গত ২০ জুলাই থেকে ফিরোজ কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। এ ঘটনায় বর্তমানে বিভাগীয় তদন্ত চলছে।
কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল গফুর মিয়া জানান, নৈশপ্রহরী নিখোঁজ থাকার ঘটনায় ব্যাংকের বর্তমান শাখা ব্যবস্থাপক থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।




