ফেসবুকে স্ত্রীর ছবি প্রকাশকে কেন্দ্র করে বন্ধুকে হত্যার দায়ে এক বাংলাদেশি প্রবাসীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন কুয়েতের একটি ফৌজদারি আদালত। ২০২৬ সালের ৩ নভেম্বর এ রায় ঘোষণা করা হয়। আদালতের পর্যবেক্ষণে হত্যাকাণ্ডটিকে ইচ্ছাকৃত ও পূর্বপরিকল্পিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
পাবলিক প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, ওই বাংলাদেশির এক বন্ধু একবার তাঁর বাসায় বেড়াতে গিয়ে স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই ছবি তোলেন। পরে ছবিগুলো নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করেন। ছবিগুলো পোস্ট হওয়ার পর সেখানে বিভিন্ন আপত্তিকর মন্তব্য আসতে শুরু করে।
এ পরিস্থিতিতে অভিযুক্ত ব্যক্তি বন্ধুকে ছবিগুলো মুছে ফেলার অনুরোধ জানান। কিন্তু সেই অনুরোধ উপেক্ষা করে বন্ধু আরও ছবি প্রকাশ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে অভিযুক্তের পারিবারিক জীবনে অশান্তি ও কলহ তৈরি হয়।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে বন্ধুকে হত্যার পরিকল্পনা করেন অভিযুক্ত। পরিকল্পনা অনুযায়ী, একটি ছুরি নিয়ে বন্ধুর কর্মস্থলের বাইরে অপেক্ষা করতে থাকেন তিনি। বন্ধু কর্মস্থল থেকে বের হওয়ার পর তাঁর মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে একাধিকবার ছুরিকাঘাত করেন। এতে তাঁর মৃত্যু হয়।
মামলার বিচার চলাকালে অভিযুক্ত ব্যক্তি আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করেন। পরে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ ও স্বীকারোক্তি পর্যালোচনা করে আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেন।




