চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। এবার মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে একযোগে ফল প্রকাশ করা হয়। সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এরপর শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট, পরীক্ষাকেন্দ্র, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানার সুযোগ তৈরি হয়।
এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেন।
গত ২ জুলাই পরীক্ষা শুরু হয়েছিল। ৮ আগস্ট লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি শিক্ষা বোর্ডের কিছু পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে সেসব পরীক্ষা নেওয়া হয়। ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ হয়।
যেভাবে ফল জানা যাবে
পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ফল সংগ্রহ করতে পারবেন। এ ছাড়া শিক্ষা বোর্ডের দুটি ওয়েবসাইট—eduboardresults.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd—থেকেও ফল দেখা যাবে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটেও ফল পাওয়া যাবে।
মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানা যাবে। এ জন্য মেসেজ অপশনে "HSC" লিখে একটি স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর রোল নম্বর ও পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।
উদাহরণ: "HSC Dha 123456 2026" লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠালে ঢাকা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর ফল জানা যাবে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অনলাইনে ফল সংগ্রহের জন্য নির্ধারিত ওয়েবসাইটের Result কর্নারে গিয়ে বোর্ডের নাম ও প্রতিষ্ঠানের EIIN নম্বর ব্যবহার করে ফলাফল শিট ডাউনলোড করতে হবে।
পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ১ নভেম্বর থেকে
ফল পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে। আবেদনপ্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি জানিয়েছে, শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কিংবা পত্রিকা অফিসে সরাসরি কোনো ফলাফল পাওয়া যাবে না। ফল জানতে পরীক্ষার্থীদের নির্ধারিত অনলাইন মাধ্যম, এসএমএস অথবা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।




