TPV — the People view
ব্রেকিং
নতুন ব্রেকিং নিউজ লোড হচ্ছে...
আন্তর্জাতিক

ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ১,৩১৪ জন।

রিপোর্টার: Admin•Bangladesh•
ফ্রান্সে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ, গ্রেপ্তার ১,৩১৪ জন।

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে ফ্রান্সজুড়ে চলমান বিক্ষোভে আবারও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। শনিবার দ্বিতীয় দফার আন্দোলনে দেশটির বিভিন্ন শহরে সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ১ হাজার ৩১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। আহত হয়েছেন ৫৩ জন পুলিশ সদস্য।

রোববার ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপি এসব তথ্য জানিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, শনিবারের বিক্ষোভে প্রায় ৪ লাখ ১০ হাজার মানুষ অংশ নেন। এর আগে গত সপ্তাহে একই দাবিতে সাড়ে পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষ রাস্তায় নেমেছিলেন।

বিক্ষোভ চলাকালে সারা দেশে অন্তত ৭৫টি অগ্নিকাণ্ড এবং ২৪টি দোকানে লুটপাটের খবর পাওয়া গেছে। তবে সংঘর্ষে কতজন বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন, সে বিষয়ে কোনো পরিসংখ্যান প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ। আন্দোলনের দ্বিতীয় দফা মোকাবিলায় শনিবার প্রায় ৭০ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল।

বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন থাকা সত্ত্বেও প্যারিস, মার্সেই ও বোর্দোসহ বিভিন্ন শহরে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়। তবে আগের সপ্তাহের তুলনায় এবারের সহিংসতার মাত্রা কম ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাজধানী প্যারিসে প্রথমে শান্তিপূর্ণ মিছিল অনুষ্ঠিত হলেও পরে কয়েক হাজার বিক্ষোভকারী পুলিশের মুখোমুখি হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে। মিছিলের শেষ গন্তব্য পোর্ত দ্য ভাঁসেন এলাকায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।

দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মার্সেইয়েও পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। শহরটির বিভিন্ন স্থানে লুটপাটের খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি গয়নার দোকানের জানালা ভাঙচুর এবং একটি সুপারমার্কেটে লুটপাটের ঘটনা রয়েছে।

অন্যদিকে, আটলান্টিক উপকূলের শহর বোর্দোর বিখ্যাত প্লাস দ্য লা বুর্স চত্বরেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে পুলিশ। ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে মুখোশধারী কয়েকজনকে পুলিশকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন বস্তু ছুড়তে দেখা গেছে।

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে জনঅসন্তোষের জেরে ফ্রান্সে ধারাবাহিক এই বিক্ষোভ চলছে। বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন শহরে সহিংসতার ঘটনা পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশটির প্রশাসনের ওপর চাপ বাড়িয়েছে।