জামালপুরের মেলান্দহে বিয়ের মাত্র ১৯ দিনের মাথায় বিএনপি নেতা সুজন মণ্ডলের স্ত্রী সুমি আক্তারকে নিয়ে পালানোর অভিযোগ উঠেছে এমদাদুল হক অরচনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় করা মামলায় অরচনকে গ্রেপ্তারের পর তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সুমিকেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলার এজাহারে তাঁদের মধ্যে পাতানো মামা-ভাগ্নির সম্পর্কের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহার অনুযায়ী, গত ১ অক্টোবর সুজন ও সুমির বিয়ে হয়। বিয়েতে সুমিকে প্রায় ৬ লাখ ৯৬ হাজার ৫০০ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার উপহার দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। সুজনের দাবি, গত ২০ অক্টোবর তিনি বাড়িতে না থাকার সুযোগে অরচন তাঁদের বাড়িতে যান। পরে সুমি মাকে দেখতে যাওয়ার কথা বলে অরচনের সঙ্গে চলে যান এবং সঙ্গে স্বর্ণালংকারও নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন সুজন।
পরে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করেও সুমির সন্ধান না পেয়ে পুলিশের সহায়তা চান সুজন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে জামালপুর শহরের একটি ভাড়া বাসা থেকে অরচনকে আটক করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সুমিকেও উদ্ধার করে পুলিশ। দুজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
অরচন মেলান্দহ পৌরসভায় গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত। অন্যদিকে, সুজন ঝাউগড়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। সুজন এ ঘটনায় দোষীদের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন। মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এটিএম মাহমুদুল হক দুজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।




